মা'দরা'সা'র শিক্ষকের হাতে সেই ছাত্রী অ*ন্তঃস*ত্ত্বা, বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

 মা'দরা'সা'র শিক্ষকের হাতে সেই ছাত্রী অ*ন্তঃস*ত্ত্বা, বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য


Full video link 


নেত্রকোনার মদন উপজেলায় ১২ বছর বয়সী এক মাদ্রাসাছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়ে ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে। অভিযুক্ত শিক্ষক ওই মাদ্রাসার পরিচালক আমান উল্লাহ সাগর।

মূল ঘটনা ও চাঞ্চল্যকর তথ্য (মে ৪, ২০২৬ পর্যন্ত):ঘটনার স্থান ও সময়: নেত্রকোনার মদন উপজেলার কাইটাইল ইউনিয়নের পাঁচহার বড়বাড়ি গ্রামে অবস্থিত ‘হযরত ফাতেমা তুজ্জহুরা মহিলা কওমি মাদ্রাসা’। ঘটনাটি ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে ঘটলেও সম্প্রতি শিশুটির শারীরিক পরিবর্তন দেখে তা জানাজানি হয়।ভয়াবহ শারীরিক অবস্থা: চিকিৎসকরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে জানিয়েছেন, মেয়েটি বর্তমানে ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা এবং তার শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। সে মারাত্মক রক্তশূন্যতায় (Hb 8.2) ভুগছে এবং তার ওজন মাত্র ২৯ কেজি।চিকিৎসকের মন্তব্য: শিশুটির পেলভিস খুব সরু হওয়ায় স্বাভাবিক প্রসব অসম্ভব, যা মা ও শিশু উভয়ের জন্যই প্রাণঘাতী হতে পারে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক জানান, শিশুটি তার জীবনের প্রথম মাসিক হওয়ার আগেই গর্ভবতী হয়ে পড়েছে।শিক্ষকের হুমকি: অভিযুক্ত শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগর মেয়েটিকে ভয়ভীতি দেখিয়ে লাগাতার ধর্ষণ করেছেন এবং ঘটনা জানাজানি করলে তাকে, তার মাকে ও ছোট ভাইদের মেরে ফেলার হুমকি দিয়েছিলেন।পারিবারিক অবস্থা: মেয়েটির মা সিলেটে গৃহকর্মীর কাজ করেন। বাবা পরিবার ছেড়ে চলে যাওয়ায় মেয়েটি নানি ও নানার কাছে থেকে মাদ্রাসায় পড়ত।আইনি ব্যবস্থা ও পলাতক শিক্ষক: গত ৩০ এপ্রিল ভুক্তভোগীর মা মদন থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা হওয়ার পর থেকে অভিযুক্ত শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগর পরিবারসহ এলাকা থেকে পালিয়ে গেছেন।

পুলিশ অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেফতারের জন্য অভিযান চালাচ্ছে।

Post a Comment

নবীনতর পূর্বতন

1